প্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথ
১৯১৪ সালের ৫ই মার্চ, শান্তিনিকেতন থেকে সি.এফ.এন্ড্রুজকে পাঠানো চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, "I feel I must protect myself from all distractions for some time, so as to be able to add to my inner resources, never considering it a duty to force myself to work merely with the vain intention of doing good, but rather making the work I do living and real."
১৯১৪ সাল। নোবেল এসে গেছে। The Greatest Man of Letters, গোদা বাংলায় যা 'বিশ্বকবি', সেই নামে তিনি বন্দিত। তবু, নিজের কাজের উদ্দেশ্য, গভীরতা, নিষ্ঠা নিয়ে নিজেই প্রশ্ন তুলছেন। "Distractions" থেকে সরিয়ে নিতে চাইছেন নিজেকে, introspection-এর তাগিদে।
রবীন্দ্রনাথকে পড়তে গিয়ে যেটুকু উপলব্ধি হয়েছে, তা এখন এখানে লিখলে কজন পড়বে বা গুরুত্ব দেবে, সন্দেহ আছে। কারণ, সময়টা হাজারো distraction-এর, এবং এই অনিশ্চয়তার, যে কাকে distraction বলবো, আর কাকে বলবো না। তবু, যে জিনিসটার নিতান্তই অভাব আজ, তা হলো introspection, আত্মোপলব্ধি। দোষারোপের প্রশ্ন নয়; এখন ঘটনাক্রম আমাদের একপ্রকার মুহূর্তযাপনে বাধ্য করে। আমাদের গভীরে যাওয়ার অন্তরায় proliferation of events, of any given sort.
তবু, আসুন, মুষ্টিমেয় ক'জনও যদি পারি, ভিতরে তাকাই। না বুঝে চিৎকার করার চেয়ে আগে নীরব হয়ে বুঝি। শিক্ষায়, প্রজ্ঞায় আসক্ত হই। নাহলে কদিন পর শুধু চিৎকার পড়ে থাকবে, বেবুনের ডাকের মতো।
প্রসঙ্গতঃ, এন্ড্রুজকে লেখা ওই চিঠির শেষে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, "To try to benefit others, and yet not to have enough of oneself to give others, is a poor affair."
Comments
Post a Comment